বুধবার, ২৮ মে, ২০১৪

স্কাইপে আপনার বাংলা কথা ইংরেজিতেই শুনতে পাবেন অপর প্রান্তের বিদেশি বন্ধু

ওয়েব ক্যামের সামনে বসে আপনি কথা বলে চলেছেন নিজের ভাষায়। যাঁর সঙ্গে কথা বলছেন তিনি শুনছেন তাঁর ভাষায়। এইভাবেই এখন কথা বলা যাবে স্কাইপে। মঙ্গলবার কোড টেকনোলজি কনফারেন্সে মাইক্রোসফটের এই ট্রান্সলেটরের কথা ঘোষনা করলেন স্কাইপের ভাইস প্রেসিডেন্ট গুরদীপ প্যাল।
ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় এই পরীক্ষা চালানো হয়। একটা বাক্য ইংরেজিতে বলার পর তা স্কাইপ নিজে থেকেই জার্মান ভাষায় অনুবাদ করে নেয়। মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাডেলা বলেন, যেদিন থেকে মানুষ কথা বলতে শিখেছে ভাষার প্রাচীর ভাঙতে চেয়েছে। যদিও এই সুবিধা বিনামূল্যে মিলছে না। অন্যদিকে গুরদীপ জানান, প্রথমে উইন্ডোজ এইটের বিটা অ্যাপ হিসেবে আসবে এই ট্রান্সলেটর।
মাইক্রোসফট নিজেদের রিসার্চ সাইটে বলেছে প্রায় দশ বছর ধরে অনুবাদ করছে মাইক্রোসফট। কিন্তু স্কাইপের কথোপকথন অনুবাদ করা অসম্ভব ব্যাপার ছিল। চার বছর আগে ফোনের কথোপকথন অনুবাদের চেষ্টা করা হয়। ২০১২ সালে চিনের তিনাজিনে মাইক্রোসফট কম্পিউটিং কনফারেন্সে সফটওয়ারের কথা বলা হয়। মাইক্রোসফট রিসার্চের প্রধান রিচ রশিদ প্রথমবার মঞ্চে এই সফটওয়ারের ডেমো দেন। তাঁর ইংরেজি কথা ম্যান্ডারিন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছিল।
এর আগে ২০১১ সালে জাপানি থেকে ইংরেজিতে ভয়েস ট্রান্সলেটর নিয়ে এসেছিল এনটিটি ডোকোমো।

শুক্রবার, ২৩ মে, ২০১৪

বিনামূল্যে অ্যান্টিভাইরাস দেবে ফেসবুক

বিনামূল্যে অ্যান্টিভাইরাস সেবা দিতে অ্যান্টিভাইরাস মার্কেট প্লেস চালু করছে ফেসবুক। এর ফলে ৫টি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ছয় মাসের জন্য ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

এজন্য ম্যাকাফি, নরটন, মাইক্রোসফট, সফোস এবং ট্রেন্ড মাইক্রোর সঙ্গে গত বুধবার চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ফেসবুক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি নিজস্ব পাতায় দেয়া একটি ব্লগ পোস্টে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পোস্টটিতে বলা হয়েছে, আমরা বিশ্বাস করি অ্যান্টিভাইরাসের সঙ্গে থাকলে আমাদের ব্যবহারকারীরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন নিরাপদে থাকবেন।

ফেসবুকের বর্তমান ৯০ কোটি ১০ লাখ ব্যবহারকারী ম্যাকাফি ইন্টারনেট সিকিউরিটি, নরটন অ্যান্টিভাইরাস, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি অ্যাসেনশিয়াল, ম্যাকের জন্য সফোস অ্যান্টিভাইরাস এবং ট্রেন্ড মাইক্রো বিনা মূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। এসবের পাশাপাশি অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিগুলো ফেসবুকের সিকিউরিটি ব্লগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিরাপদ থাকার বিষয়েও বিভিন্ন তথ্য দেবে।

নতুন এ চুক্তির ফলে ফেসবুকের ইউআরএল ব্ল্যাকলিস্ট সিস্টেম এবং অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতিকর ইউআরএল ডাটাবেজ সিস্টেম একসঙ্গে কাজ করবে। এর ফলে ফেসবুকে যে কোনো লিঙ্কে ক্লিক করার সময় ফেসবুকের বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ওই পাঁচটি অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও নিরাপত্তা সেবা পাবেন ব্যবহারকারীরা।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ফেসবুকে যে পরিমাণ কনটেন্ট শেয়ার হয় তার ৪ শতাংশই স্প্যাম।

সোমবার, ১৯ মে, ২০১৪

ভিডিও চ্যাটের নতুন ব্যবস্থা আসছে ফেসবুকে

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ফেসবুকের ‘পোক’ ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেলেও এবার ফটো ম্যাসেজিং অ্যাপ স্ন্যাপচ্যাটের মতো ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে ফেসবুক সম্প্রতি ভিডিও চ্যাটের নতুন অ্যাপ চালু করার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

মার্ক জাকারবার্গের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্মিত হচ্ছে ফেসবুকের অ্যাপটি। ‘স্লিংশট’ নামে অ্যাপটি নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে বেশ কয়েক মাস যাবত।
সূত্র জানিয়েছে, স্লিংশটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ছবি ও ছোট ভিডিও পাঠাতে পারবে। ভিডিওটি শুধু একবারই বন্ধুকে দেখানোর অপশন থাকবে।

গত বছর তিন বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে স্ন্যাপচ্যাটকে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করে ফেসবুক। তবে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় ফেসবুক সে ধরনের মেসেজিং অ্যাপ তৈরির চেষ্টা করছে। বিশেষ করে তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য এ ব্যবস্থাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ফেসবুক।
জানা গেছে, এ মাসেই অ্যাপটি ছাড়তে পারে ফেসবুক।

রবিবার, ১৮ মে, ২০১৪

নোকিয়ার নতুন চমক

মাত্র ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে এবার পাওয়া যাবে নোকিয়ার নতুন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন নেকিয়া এক্সএল। এ ফোনে দুটি সিম ব্যবহার করা যাবে।

শিগগিরই এ সেট নোকিয়ার শো রুমে পাওয়া যাবে। নতুন এ সেট বাজারে আনার ঘোষণা দেয়া হয় গত মার্চে।

বার্সেলোনার ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে প্রদর্শিত এই স্মার্টফোনের স্ক্রিনের মাপ পাঁচ ইঞ্চি ও এর রেজুলেশন ৮০০x৪৮০ পিক্সেল। এটি নোকিয়া এক্স সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে চলে এবং এটি অ্যান্ড্রয়েড রয়েছে ৪.২ জেলি বিন।

এই মোবাইলে পাঁচ মেগাপিক্সেল অটো ফোকাস ক্যামেরা রয়েছে, সঙ্গে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ। এর ফ্রন্ট ক্যামেরাও দুই মেগাপিক্সেল। সেটটি মোট ছয় রঙে পাওয়া যাবে।

মেকআপের আয়না আইফোন!

কোনো পণ্য কেনার আগে কেনাটা যুত্সই হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করে নেওয়ার গুরুত্ব ফ্যাশনসচেতন ব্যক্তিমাত্রেই জানেন। স্মার্টফোনের যুগে প্রসাধনসামগ্রী চেহারার সঙ্গে মানানসই করে নেওয়ার প্রযুক্তিও হাতের কাছে চান তাঁরা। সম্প্রতি আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযুক্তি সুবিধা নিয়ে এগিয়ে এসেছে বিখ্যাত প্রসাধন ব্র্যান্ড ল’রিয়াল। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

১৫ মে তারিখে ল’রিয়াল একটি অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে যা আইফোন ও আইপ্যাডের সামনের ক্যামেরাকে আয়নায় রূপান্তর করতে পারে। ব্যবহারকারী ভারচুয়াল ভাবে এই আয়নায় কোন প্রসাধন সামগ্রীতে তাঁকে কেমন মানাবে তা পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। ল’রিয়াল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের প্রায় ৩০০ কসমেটিক পণ্য এই অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

অ্যাপ্লিকেশনটির নাম ‘মেকআপ জিনিয়াস’। অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে ভারচুয়াল ভাবে মেকআপ করে চেহারা কেমন দেখায় তা পরীক্ষা করে দেখা যাবে।

জিমেইলে জোরদার হচ্ছে নিরাপত্তা

মেইল সেবা জিমেইলকে আরও নিরাপদ করতে কাজ করছে গুগল। জিমেইল নিরাপত্তায় নতুন একটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন এ পদ্ধতিতে জিমেইল ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে মোবাইল বার্তার বিষয়টি যুক্ত হচ্ছে। জিমেইলে কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখা দিলে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী মোবাইল ফোনে বিশেষ বার্তা পাবেন। গুগলের সিকিউরিটি ব্লগের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট।

গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুগলের সেবা ব্যবহারকারীদের জন্য দ্বিস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক হবে। এখন গুগল ব্যবহারকারীরা তাঁদের ইচ্ছানুসারে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

লগ ইন চ্যালেঞ্জ নামের এ ফিচারটি ব্যবহার করতে ব্যবহারকারীকে লগ ইন করার সময় ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর বাড়তি নিরাপত্তা হিসেবে একটি কোড দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে। এই কোডটি মেইল অ্যাকাউন্ট খোলার সময় প্রদত্ত মোবাইল ফোন নম্বরে পাঠাবে গুগল।
সম্প্রতি গুগলসহ ওয়েব সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো হার্টব্লিড নামের বিশেষ বাগ সমস্যায় পড়েছিল। এই বাগটি ছিল ওয়েব নিরাপত্তায় ব্যবহূত ওপেন এসএসএলের একটি ত্রুটি। এই বাগ ব্যবহার করে দুর্বৃত্তরা তথ্য হাতিয়ে নিতে পারত। বাড়তি নিরাপত্তা কৌশল হিসেবে গুগল তাদের জনপ্রিয় মেইল সেবাতে তাই এ পরিবর্তন আনছে।

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

বাংলাদেশে ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনে ফেসবুকের আশ্বাস


বাংলাদেশে ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনে আশ্বাস দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলা ভাষায় ফেসবুক ও দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উপর রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনে ফেসবুকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীসহ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিরা। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান, মহাসচিব রাসেল টি আহমেদ, বিসিএস সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ফেসবুক বার্তায় বেসিস সভাপতি শামীম আহসান জানান, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনে ফেসবুকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আহ্বান জানানো হয়েছে। ফেসবুকের পলিসি প্রোগামের হেড এসব শুনেন এবং আগ্রহ দেখিয়েছেন।

শামীম আহসান জানান, বাংলাদেশে ফেসবুক কার্যক্রম শুরু করলে সরকার অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সুবিধা দেবে। একই সঙ্গে ফেসবুকের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে ইউএস-বাংলাদেশ টেক ইনভেস্টমেন্ট সামিটে এই তিনজনসহ বিশিষ্ট আইটি ব্যবসায়ী ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ, বেসিসের ১৫টি কোম্পানিসহ বাংলাদেশের অর্ধশত শীর্ষ আইসিটি ব্যবসায়ী ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৭ মে থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইউএস-বাংলাদেশ টেক ইনভেস্টমেন্ট সামিট। সম্মেলনে যোগ দিতেই তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, বেসিস সভাপতি শামীম আহসান, অগ্রণী ব্যাংক চেয়ারম্যান ড. খন্দকার বজলুল হক, বেসিস মহাসচিব রাসেল টি আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থান করছেন।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ যন্ত্র


গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করেন চালক। কিন্তু শ’খানেক যাত্রী নিয়ে যে মাতাল বা অসুস্থ বা অসতর্ক চালক দূরের কোনো গন্তব্যে যাচ্ছে তাকে নিয়ন্ত্রণ করবে কে? এই ধরনের পরিস্থিতি শনাক্ত ও চালককে সতর্ক করে দেয়ার জন্যই একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশেরই একদল উদীয়মান বিজ্ঞানী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের তত্ত্বাবধানে ওই বিভাগের চার শিক্ষার্থী ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেছেন। পরামর্শক হিসেবে ছিলেন ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, তড়িৎ ও যোগাযোগ প্রকৌশল বিভাগের লেকচারার মো. এনামুল হক চৌধুরী।

গাড়ি চালানোর সময় চালক মোবাইলে কথা বললে, এসএমএস করায় ব্যস্ত হলে কিংবা চা, কফি পান করলে তাকে সতর্ক করে দেবে ‘ড্রাইভার ডিসট্র্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ নামের ডিভাইসটি। এছাড়া চালক সামনের রাস্তার দিকে না তাকিয়ে পাশের বিলবোর্ডের দিকে নজর দিচ্ছে কি না সেটাও খেয়াল রাখবে এই ডিভাইস।

চালক মদ্যপ অবস্থায় আছে কি না, তার ঘুম ঘুম ভাব হচ্ছে কি না, শরীরে তাপমাত্রা, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ঠিক আছে কি না, অর্থাৎ চালক সুস্থ আছে কি না, সে বিষয়গুলোও খুব সহজেই খেয়াল রাখা যাবে এই ডিভাইসের মাধ্যমে।

ড্রাইভার ডিসট্র্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডিভাইসটিতে চালকের প্রতিটি বিষয় খেয়াল রাখার জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা সেন্সর। চালকের আসনের আশেপাশে এসব সেন্সর বসানো হবে। অর্থাৎ চালকের শরীরের সঙ্গে কোনোকিছু লাগাতে হবে না। তবে তাপমাত্রা ও রক্তচাপ মাপার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রটা চালকের হাতেই লাগাতে হবে। এটাকে ড. রাজ্জাক ডিভাইসটির একটা সীমাবদ্ধতা বলে মানছেন। তবে এর বিকল্প উপায়ও খোঁজার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া, সব কাজ যেন একটা মাত্র ডিভাইস দিয়ে করা যায় সে চেষ্টাও করা হচ্ছে বলে জানালেন ড. রাজ্জাক।

বর্তমানে পরিপূর্ণ ডিভাইসটি ব্যবহার করতে চাইলে খরচ পড়বে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মতো। তবে আরও গবেষণার মাধ্যমে এর মূল্যটা কমানো সম্ভব বলে জানান ড. রাজ্জাক।

ড. রাজ্জাক আরো জানান, ইতিমধ্যে সরকার, বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন পরিবহন মালিকদের সামনে ডিভাইসটি তুলে ধরা হয়েছে। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সচিব এটার প্রতি আগ্রহী হয়ে একে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি সোহাগ পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডিভাইসটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে তা পরীক্ষা করে দেখতে এবং পরীক্ষামূলকভাবে এটা চালু করার জন্য যে আর্থিক সহায়তা লাগবে সেটা দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

পরিকল্পনার শুরু প্রসঙ্গে ড. রাজ্জাক বলেন, ‘তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর, ক্রিকেটার মানজার রানার মতো ব্যক্তিত্বদের সড়ক দুর্ঘটনায় হারানোর বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। নিজের কাজের ক্ষেত্র থেকে এ ব্যাপারে কিছু করা যায় কি না তা নিয়ে ভাবতে গিয়েই মাথায় এই ডিভাইসের পরিকল্পনা আসে।’

এই ডিভাইস তৈরির প্রকল্প এগিয়ে নিতে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ‘ইনফরমেশন সোসাইটি ইনোভেশন ফান’ এর কাছ থেকে ৩০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার পেয়েছিলেন ড. রাজ্জাক ও তার দল।

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০১৪

বাংলাদেশে অফিস খুলছে ফেসবুক!

সার্চ জায়ান্ট গুগল বাংলাদেশে অফিস খুলেছে প্রায় এক বছর। এখন নানা সূত্রেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশে অফিস খুলতে যাচ্ছে ফেসবুক!

একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে ফেসবুক বাংলাদেশে তাদের বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য কাজ আরো সহজভাবে সম্পাদনের জন্য শিগগিরই অফিস খুলতে পারে।

এদিকে গতবছর গুগলে নিয়োগ পাওয়া গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান গুগলের বাংলাদেশের পরামর্শক কাজী মনিরুল কবিরের সঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মনিরুল কবির বলেন, ‘আমার সঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে কিন্তু এই ব্যাপারে আমি এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেইনি’ এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে কান্ট্রি ডিরেক্টর হতে নিজ থেকেই অনেকেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা যায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশে প্রায় প্রতিদিন বাড়ছে ফেসবুক গ্রাহক। তাছাড়া ব্যাক্তি বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ফেসবুকে তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ায় সোশ্যাল সাইটগুলো এই ক্রমবর্ধমান বাজার নিজেদের আয়ত্তে নিতেই বাংলাদেশে তাদের কান্ট্রি অফিস খুলতে চাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এশিয়ায় ইতিপূর্বে হংকং ও চীনে ফেসবুক তাদের নিজস্ব অফিস খুলে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪

শুভ জন্মদিন জাকারবার্গ

আজ মার্ক জাকারাবার্গের ৩০তম জন্মদিন। ১৯৮৪ সালের আজকের দিনে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন তিনি। পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ। হ্যাকার, কলেজ থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী, টাইম ম্যাগাজিন-ব্যক্তিত্ব, পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নীয়রসহ এই সুদর্শনের পরিচিতি অনেক। তবে সবকিছু ছাপিয়ে তাঁর মূল পরিচয় তিনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হিসেবেই।

হুডিওয়ালা টি-শার্ট, জিন্স ও স্নিকার্স পরেই তিনি জয় করেছেন গোটা বিশ্ব। বর্তমানে ফেসবুকের ২৯ শতাংশ মালিকানা তাঁর। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে জাকারবার্গ এবং তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সে টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হয়েছিলেন জাকারবার্গ।

১৯৯০ সালে বাবার মাধ্যমে প্রোগ্রামিংয়ে হাতেখড়ি জাকারবার্গের। হার্ভার্ডে তাঁর দ্বিতীয় বর্ষ চলাকালীন অক্টোবর ২৮, ২০০৩-এ তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বসূরি সাইট ফেসম্যাস। এতে তিনি হার্ভার্ডের নয়টি হাউসের শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করেন।

তিনি দুটি করে ছবি পাশাপাশি দেখান এবং হার্ভার্ডের সব শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে বলেন। এ জন্য মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্যকেন্দ্র হ্যাক করেন। ২০০৪-এর জানুয়ারিতে মার্ক তাঁর নতুন সাইটের কোড লেখা শুরু করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে ‘দ্য ফেসবুক’ উদ্বোধন করেন। মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে ছিলেন ডাস্টিন মস্কোভিজ, ক্রস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন এবং অ্যান্ড্রু ম্যাককালাম। বছর না ঘুরতেই ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। ২০০৫ সালে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পালটে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। ২০১০ সাল সাল নাগাদ ব্যবহারকারী ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে ১২০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে ফেসবুকে।
জাকারবার্গ তাঁর বান্ধবী প্রিসিলা চ্যানকে বিয়ে করেছেন। প্রিয় খাবার নিজের শিকার করা পশুর মাংস। বিস্ট নামে তাঁর একটি পোষা কুকুর তাঁর অন্যতম প্রিয় সঙ্গী।

ফেসবুক ও জাকারবার্গ
গত ১০ বছরে একটি কোম্পানি হিসেবেও বড় হয়ে উঠছে ফেসবুক। ২০১২ সালে পাবলিক লিমিটেড প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ফেসবুক। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমার্কেটারের তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে আয়ের দিক থেকে বর্তমানে গুগলের পরের অবস্থানেই রয়েছে ফেসবুক। মোবাইল বিজ্ঞাপন থেকেও ফেসবুকের আয় বাড়ছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফেসবুক পরিবর্তন আনছে নিয়মিত। কিনছে বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সেবা ফেসবুকের সঙ্গে যুক্তও করছে। ফেসবুকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৪৩টি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কিনেছে ফেসবুক যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গোয়ালা, ইনস্টাগ্রাম, লাইটবক্স,লিটল আই ল্যাবস, ব্রা, অকুলাস ভিআর প্রভৃতি।

জাকারবার্গ এখন পরিণত
বয়স ৩০। বিবাহিত। জাকারবার্গ এখন অনেকটাই পরিণত। ভবিষ্যত্ নিয়ে কী ভাবছেন তিনি? নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুক তৈরি করেই বসে নেই মার্ক জাকারবার্গ। এখন তিনি প্রযুক্তি শিল্পে ব্যাপক পরিবর্তন আনার বিষয়ে ভাবছেন। এ বছরের ২৮ থেকে ২৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘ওপেন কম্পিউট প্রোজেক্ট’ নামের এক সম্মেলনে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ তাঁর ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা নিয়ে বলেন।

জাকারবার্গ তাঁর পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান, যেখানে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের সাইট তৈরি করেছিলেন, গত এক দশকে সেখানে নিয়ে গেছেন ফেসবুককে। তাঁর বাকি লক্ষ্যও অর্জন হওয়ার পথে। তবে এখনই থেমে যেতে চান না তিনি।

ফেসবুকের পর এখন হাই-টেক ব্যবসাগুলোতে বিশাল পরিবর্তন আনার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। এখনকার যুগে শুধু ডেটা সেন্টারের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসাগুলোকে পরিবর্তন আনতে কাজ করবেন তিনি। আর এ লক্ষ্যে অনেকদূর এগিয়েও গেছেন।

জাকারবার্গ মনে করেন, প্রযুক্তি শিল্পে পরিবর্তন আনতে তিনি কোনো প্রতিষ্ঠানের একচ্ছত্র আধিপত্যকে দূর করতে পেরেছেন। এ কাজে সাহায্য করেছে ওপেন সোর্স। আমাজন, গুগল ও ইয়াহুর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যে প্রযুক্তি সুবিধা নিয়ে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবসা করে যাচ্ছিল, সে বাধা দূর করে অন্যদেরও সুযোগ করে দিয়েছেন তিনি। ওপেন কম্পিউটের মাধ্যমে ক্রাউডসোর্সিং পদ্ধতিতে কম্পিউটিংয়ের সমস্যা সমাধান করেছেন জাকারবার্গ।

জাকারবার্গ বলেন, ‘যখন কেউ প্রথম কোনো জিনিস তৈরি করে, তার পক্ষে সেটা গোপন করার সুবিধা নেওয়া সহজ হয়। তবে আমাদের কাছে ওপেন সোর্স বা মুক্ত থাকা পদ্ধতিটি সুবিধাজনক মনে হয়েছে এবং আমরা এক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছি।’
জাকারবার্গ বলেন, ফেসবুক পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে, তাতে পরিবেশের সুরক্ষার পাশাপাশি শক্তির অপচয় রোধ হচ্ছে।

ফেসবুক ও ওপেন কম্পিউটিং প্রকল্পের পাশাপাশি জাকারবার্গ কাজ করছেন ইন্টারনেট অরগানাইজেশন নামের আরেকটি প্রকল্প নিয়ে। বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সাশ্রয়ী করতে জাকারাবার্গের এই উদ্যোগের সঙ্গে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং, মার্কিন সেমিকন্ডাক্টার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম, এরিকসন, মিডিয়াটেক, নকিয়া ও অপেরা। এ প্রকল্পের অধীনে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানগুলো সাশ্রয়ী দামে উন্নত প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট সুবিধার স্মার্টফোন তৈরি করবে।

জাকারবার্গ জানান, বর্তমানে ফেসবুকের আকার আর মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠিতে দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে বলেই মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, ১০ বছর আগে যখন হার্ভার্ডের ছোট ডরমেটরিতে ফেসবুক যাত্রা শুরু করেছিল, তখনো এত বড় স্বপ্ন দেখেননি তিনি। তিনি ভেবেছিলেন, ‘আমার যেটুকু তৈরি করার দরকার করে দিয়েছি, বাকিটা নতুন কেউ এসে এগিয়ে নেবে। কিন্তু সেই ভাবনায় আটকে থাকেননি তিনি। যা তিনি কল্পনাও করেননি ফেসবুক আজ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।’
শুভ জন্মদিন মার্ক জাকারবার্গ।

মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০১৪

গ্রামীণফোনের নতুন ওয়াইম্যাক্স সেবা-গো ব্রডব্যান্ড।


গ্রামীণফোন দিচ্ছে  এই প্রথম ওয়াইম্যাক্স  সেবা-গো ব্রডব্যান্ড।
গো ব্রডব্যান্ড মুলত  AGNI Systems Ltd. এবং  ADN Telecom Ltd.   গ্রামীণফোণের সহযোগিতায় বাজারে আসছে।
৫১২ kbps স্পিড থেকে শুরু করে এই  ওয়াইম্যাক্স সেবাই থাকছে ৮০০ kbps এবং ১ Mbps স্পীডের ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবা।
  • বর্তমানে শুধু ঢাকা এবং চট্টগ্রাম পাওয়া যাবে এই ব্রডব্যান্ড সেবা।
  • ধীরে ধীরে সব জায়গায় পাওয়া যাবে বলে জানা যায়।
  • প্যাকেজ মূল্য নিম্নরুপঃ

রবিবার, ৪ মে, ২০১৪

ট্রানসেন্ডের দ্রুতগতির পেনড্রাইভ বাজারে


 ট্রানসেন্ডের জেটফ্লাশ-৭৫০ মডেলের একটি পেনড্রাইভ বাজারে এসেছে। দ্রুতগতির ইউএসবি ৩.০ ইন্টারফেস ও মাল্টিলেভেল সেল এনএএনডি ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই পেনড্রাইভটি। ট্রানসেন্ডের দাবি, দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তরের পাশাপাশি পেনড্রাইভটি নকশার দিক থেকেও উন্নত। এতে ফ্যাশন ও প্রযুক্তির সমন্বয় করা হয়েছে।

ইউএসবি থ্রি পোর্ট সমর্থিত পাতলা গড়নের এই পেনড্রাইভ দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে কম্পিউটার সোর্স। বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানটির দাবি, মাত্র ১০ গ্রাম ওজনের ট্রানসেন্ড জেটফ্লাশ-৭৫০ মডেলটি সেকেন্ডে ১৩০ মেগাবাইট ডাটা পড়তে এবং ১৫ মেগাবাইট ডাটা লিখতে পারে। ১৬জিবি এবং ৩২জিবি মডেলে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এই পেনড্রাইভ। ১৬ জিবির দাম এক হাজার ১০০ টাকা এবং ৩২ জিবির দাম এক হাজার ৬০০ টাকা।

শনিবার, ৩ মে, ২০১৪

ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই ফেসবুক এবং ওয়েবসাইট ঘাঁটাঘাটি করা যাবে

ফেসবুক সহ ওয়েবসাইট ঘাঁটাঘাটির জন্য আর খরচ করে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হবে না৷ ফেসবুক অ্যাপে ক্লিক করেই ইন্টারনেট কানেকশন করা সম্ভব হবে৷

মার্ক জুকারবার্গের কল্যাণে টাকা খরচ করে আর সাইট ঘাঁটতে হবে না বিশ্বকে৷ তারই ব্যবস্থা করতে চলেছে ফেসবুকের কর্মকর্তারা৷

জানা যায়, মোবাইল মেসেজিংয়ের জনপ্রিয় অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের পর জুকারবার্গ কিনতে চলেছেন চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন৷ আর এই ড্রোনের মাধ্যমেই ফেসবুক বিশ্বজুড়ে কোনো খরচ ছাড়াই ইন্টারনেট পরিষেবা দিতে চাইছে৷

সূত্র জানায়, ফেসবুক ১১ হাজার ড্রোন তৈরি করবে৷ আর সেগুলো আকাশে উড়বে সৌরশক্তির মাধ্যমে৷ তার থেকেই মোবাইলে, ল্যাপটপে এবং ডেক্সটপে পৌঁছে যাবে ইন্টারনেট কানেকশন৷ ফেসবুক সহ ওয়েবসাইট ঘাঁটাঘাটির জন্য আর খরচ করে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হবে না৷

আমেরিকার একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, সৌরশক্তিতে আকাশে উড়ে চলা চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন নির্মাণ সংস্থা টাইটান অ্যারোস্পেস কিনতে চলেছে জুকারবার্গের ফেসবুক৷ পাকা কথা প্রায় হয়ে গিয়েছে৷এখন শুধু চুক্তির পর্বটা বাকি৷

প্রযুক্তিবিদরা জানাচ্ছেন, ফেসবুক ড্রোন নির্মাণ সংস্থাটি কিনছে নিঃখরচে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার জন্য৷ বিশেষ করে ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকা প্রথম লক্ষ্য ফেসবুকের৷ তারপর বিশ্বের কোণে কোণে পৌঁছে যাবে খরচহীন ইন্টারনেট পরিষেবা

শুক্রবার, ২ মে, ২০১৪

নতুন চেহারায় ইয়াহু মেইল

বৃষ্টির তথ্য সংগ্রহ করবে স্মার্ট ছাতা!

এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইউরোপিয়ান জিওসায়েন্সেস ইউনিয়ন (ইজিইউর) বার্ষিক সভায় এ প্রযুক্তির প্রোটোটাইপ দেখান ড. হাট। ছাতার ক্যানভাসের নিচে ব্যবহার করা হয়েছে পেইজো সেন্সর। এতে ছাতায় বৃষ্টির ফোটা পড়লে যে ভাইব্রেশন হয় তা পরিমাপ করা যাবে।
এ তথ্য ব্লুটুথের মাধ্যমে ফোন থেকে পাঠিয়ে দেবে কম্পিউটারে কিংবা ক্লাউডভিত্তিক ডেটা স্টোরে। এতে শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বৃষ্টিপাতের খবর জানা যাবে। অতিবৃষ্টির ফলে বন্যার আশঙ্কা থাকলেও আগাম সতর্কতা পাওয়া যাবে।
এ সম্পর্কে গবেষক ড. হাট জানান, আবহাওয়ার তথ্য জানাতে আমাদের রয়েছে রেডার ও স্যাটেলাইট। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি কতটুকু হয় তা পরিমাপ করা ব্যয়বহুল।
যদিও এজেন্সিগুলো সংখ্যায় কমে যাচ্ছে এবং এতে মানুষের অপারেশনাল ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বা হাইড্রোলজি নিয়ে গবেষণা করতে পারে না। কারণ তারা এ জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা সংগ্রহ করতে পারে না-- বিবিসিকে বলেন ড. হাট।
ভবিষ্যতে এ প্রযুক্তি নিয়ে আসার কথা জানিয়েছেন হাট। এতে বৃষ্টির সময় ছাতা খুললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য চলে যাবে কম্পিউটারে। এভাবে হাজার হাজার মানুষ যখন এ ছাতা ব্যবহার করবে তখন শহরের বৃষ্টিপাত সম্পর্কে তথ্য একত্রিত হবে। ফলে বিজ্ঞানসম্মত তথ্য পাওয়া যাবে। যা জলবিদ্যা গবেষণাকেও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

২৬ মার্চ উপলক্ষে ‘ইতি বাংলাদেশ’ নামে অ্যাপ উন্মুক্ত

প্রত্যেক জাতির জন্য তাদের ইতিহাস একটি অমূল্য সম্পদ। আর এই ইতিহাসের সূচনা হয় একটি বিশেষ মুহুর্তকে কেন্দ্র করে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পূর্র্ব পাকিস্থান নামে এক ভূখন্ডের জন্ম নেয়। পরবর্তীতে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীকার আন্দোলন ও ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামে এক স্বাধীন রাষ্ট্রের। এজন্যই ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সালকে বাংলাদেশের মূল ইতিহাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
স্বাধীনতার ৪৩ বছর পেরিয়ে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের এই অনন্য ইতিহাস তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ‘ইতি বাংলাদেশ’ নামে মোবাইল অ্যাপ এনেছে অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘বিজনেস অ্যাপ স্টেশন’।
অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের এই অ্যাপটিতে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তি থেকে শুরু করে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। তারিখ ও সাল অনুযায়ী টাইমলাইন আকারে ৬৬টি ঘটনার ছবি ও তথ্য তুলে ধরা হয়েছে অ্যাপটিতে। বামপাশের মেনুর মাধ্যমে সাল ও তারিখ নির্বাচন করেও এসব ঘটনা ও ছবি সহজেই দেখা যাবে।
এছাড়া জর্জ হ্যারিসনের কনসার্ট ফর বাংলাদেশের সর্ম্পকে অ্যালবাম, মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন, মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ গ্রহণ, বীরাঙ্গনা বাংলাদেশ নিয়ে তথ্যচিত্র, অসহযোগ আন্দোলন, পাকবাহিনীর আত্মসমর্পনসহ ইউটিউবে প্রকাশিত মোট ২২টি ভিডিও অ্যাপটিতে যুক্ত করা হয়েছে।
অ্যাপটি সর্ম্পকে বিজনেস অ্যাপ স্টেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও অ্যাপ আর্কিটেক্ট মাহমুদ হাসান সানি বলেন, সময়ের চাহিদায় এখন প্রায় সকলের হাতেই স্মার্টফোন পৌছে গেছে। তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল উপায়ে স্মার্টফোনে অ্যাপের মাধ্যমে দেশের সঠিক ইতিহাস জানাতে এই অ্যাপ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য আপটি ছাড়া হলেও শিগগিরই আইফোনের (আইওএস প্লাটফর্ম) জন্য অ্যাপটি প্রকাশ করা হবে। আগ্রহীরা গুগলের প্লে স্টোর থেকে ‘ইতি বাংলাদেশ’ অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড ও ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক।