বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৩

স্যামসাং গ্যালাক্সির স্বর্ন ফোন

বাজারে স্মার্টফোনের চাহিদা দেখে  স্যামসাং ও এইচটিসি সোনালি রঙের স্মার্টফোন বাজারে আনার । অবশেষে গত সোমবার  স্যামসাং এর কান্ট্রি প্রধান ভারতে ডুয়াল পর্দার স্বর্ন ফোন উম্মোচিত করেন।
স্যামসাং এর  কান্ট্রি প্রধান বলেন, আমরা আমাদের গ্রাহকদের  কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম এবং এই স্বর্ন ফোন জীবনকে সহজ করে দিবে। তিনি আরো বলেন গ্রাহদের ব্যবহারের উপযোগী করে তুলা হয়ছে এই স্বর্ন ফোনটি। উদ্ভাবনী দ্বৈত প্রদর্শন এবং প্রিমিয়াম সুবর্ণ। স্যামসাং গ্যালাক্সি  স্বর্ন ফোনটিতে খুব ভালো মানের টার্চ ব্যবহার করা হয়েছে।
গ্যালাক্সি স্বর্ন ফোনের ডিসপ্লে 3.7 ইঞ্চি সুপার AMOLED WVGA ডুয়াল ডিসপ্লে, অ্যান্ড্রয়েড v4.2 Jelly Bean অপারেটিং নেভিগেশন 480x800p ঔজ্জ্বল্য এবং Android দ্বারা পরিচালিত।এই ফোনে 1.5 RAM আছে এবং  16 গিগাবাইট মেমরি (68 গিগাবাইট পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে) সঙ্গে 1.7GHz ডুয়াল কোর প্রসেসর দ্বারা চালিত।
আরো উল্লেখ 3 এক্স 4 সংখ্যার কি প্যাড,  8 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ফ্রন্ট 1.9-মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং 1820 mAh ব্যাটারি অন্তর্ভুক্ত। এটি 3G নেটওয়ার্ক সমর্থন, ডুয়াল সিম কার্ড স্লট, ব্লুটুথ, ওয়াই ফাই এবং GPS। এর ওজন 179 গ্রাম।

বাংলাদেশে ডি-লিংক ক্লাউড সেবা

দেশের ডিজিটাল লাইফ স্ট্যাইলে নতুন অনুষঙ্গ ‘মাই ডি-লিংক’ ক্লাউড সেবা নিয়ে এসেছে কম্পিউটার সোর্স। দূরত্ব আর সময়কে জয় করে ব্যস্ত জীবনকে এক সুঁতোয় নিয়ে এসেছে ডি-লিংক ক্লাউড রাউটার আর ক্যামেরা। প্রয়োজন ভেদে ডি-লিংক এর রয়েছে ৩টি ক্লাউড রাউটার, মডেল DIR-600L/DIR-605L/DIR-506L এবং DCS-932L মডেলের ক্লাউড ক্যামেরা। ডিভাইস দুটির মাধ্যমে দেশ-বিদেশের যে কোনো স্থান থেকে ঘরের প্রতিটি সদস্যের সাথে যোগাযোগ করার পাশাপাশি হোম নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসেই প্রবেশ করে তা নিয়ন্ত্রণ, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট শেয়ার করা যায়। আর আইফোন অথবা অ্যান্ড্রয়েড ফোন অথবা ট্যাব থেকেই এই সুবিধা পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এজন্য ব্যবহারকারীকে ডিভাইসকে মোবাইল ডিভাইস নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করে www.mydlink.com ওয়েবসাইট থেকে মাইডিলিংক মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে। এর মাধ্যমে দূর থেকেও বাসায় অবস্থান করা প্রিয় সন্তানের খোঁজ খবরের পাশাপাশি তাদের সাথে ভিডিও কলও করা যায়। জানা যায় এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ইন্টারনেটে বাচ্চারা কী করছে সে বিষটিও। অনাহূত কেউ যদি বাসায় প্রবেশ করে তার বার্তাও পাওয়া যাবে ডি-লিংক ক্লাউড সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে। প্রয়োজনে স্থানীয় পরিবেশক কম্পিউটার সোর্স এ ওয়েবসাইট, ফেসবুকফ্যানপেজ ছাড়াও ০১৯৩৯৯১৯৫৮৯ নম্বরে ফোন করতে পারবেন আগ্রহীরা।

বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৩

ডিজিটাল ম্যাপ চালু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আর্থিক সেবার বিস্তারিত তথ্যভিত্তিক বিশেষ ডিজিটাল ম্যাপ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোন এলাকায় কোন কোন ব্যাংকের শাখা, এটিএম বুথ, এজেন্ট, ক্ষুদ্রঋণ সেবাপ্রদানকারী এনজিও ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য জানতে পারবেন। শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং অ্যাকাডেমির (বিবিটি…এ) মিলনায়তনে এ ম্যাপের উদ্বোধন করেন।
গ্রাহকরা ইন্টারনেটে এই ঠিকানায় ভৌগলিক তথ্য ব্যবস্থার (জিআইএস) মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় কোন কোন ব্যাংকের শাখা, এটিএম বুথ, এজেন্ট, ক্ষুদ্রঋণ সেবাপ্রদানকারী এনজিও ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য জানতে পারবেন।
পোর্টালে গিয়ে একজন গ্রাহক কোনো উপজেলায় কতোটি এধরনের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের শাখা রয়েছে তা জানতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তাকে প্রথমে ওয়েবপোর্টালের ‘জেলা’র ওপর ক্লিক করতে হবে।
এর পর ওই জেলার সব উপজেলার নাম আসবে। তিনি যে উপজেলা সম্পর্কে তথ্য চান সেটি ক্লিক করলে ম্যপসহ এ ধরনের সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যাবে।ম্যাপে কোন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত, জেলা বা উপজেলা শহর থেকে তার দূরত্ব কতো তা জানা যাবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. হাসান জামান, অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকী খলিলী, এমআরএ নির্বাহী চেয়ারম্যান খন্দকার মাজহারুল হক, ম্যাপ প্রকল্পের স্পন্সর বিল অ্যান্ড মেলিন্দা গেটস ফাউন্ডেশনের গ্রেগরি চেন উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. আতিউর রহমান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্যাংক গড়ে তোলার লক্ষ্যে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আর্থিক খাতের জন্য নতুন করে যে ম্যাপের উদ্বোধন করা হলো, তা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিশেষ অবদান রাখতে পারবে।
ড. আতিউর রহমান ডিজিটাল ম্যাপে আর্থিক সেবার তথ্য নিয়মিত আপডেট রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) কর্মকর্তারা এ ম্যাপ ব্যবহার করে নতুন কোনো আর্থিক সেবার অনুমোদনে বিশেষ সহায়তা পাবেন।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তারা ব্যাংকের শাখা, এটিএম বুথ, এজেন্ট অথবা অন্য কোনো সেবা পয়েন্ট অনুমোদনে এ ম্যাপ ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে কোনো অঞ্চলের আর্থিক সেবার গ্রাহকের ঘনত্বও বোঝা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে এ মানচিত্রে বিভিন্ন ধরনের ৬৫ হাজার ৫৩৪টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে।এর মধ্যে ব্যাংক শাখা রয়েছে আট হাজার ৬৪১টি, ১১ হাজার ৪৪৬টি ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান, দুই হাজার ৬৫টি এটিএম বুথ, তিন হাজার ৭৯টি ডাকঘর, ৩১ হাজার ৭৫৫টি মোবাইল মানি এজেন্ট এবং আট হাজার ৫৪৮টি আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আসুসের ফেসবুক প্যাজল গেম প্রতিযোগীতা


গত ২৪শে অক্টোবর থেকে আসুসের সৌজন্যে, গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা:) লিমিটেডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আসুস ফেসবুক প্যাজল গেম প্রতিযোগীতা। মাস ব্যাপি এই প্রতিযোগীতাটি মূলতঃ সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকভিত্তিক অনলাইন গেম প্রতিযোগীতা। এতে প্রথম ১৪ দিন প্রতিদিনে সর্বোচ্চ স্কোরধারী প্রত্যেক প্রতিযোগীকে দেয়া হবে ১টি করে মোবাইল ফোন। এই ১৪ জন থেকে ২৩ শে নভেম্বর পর্যন্ত অংশ গ্রহণকারী প্রতিযোগী যিনি সর্বোচ্চ স্কোরধারী হবেন তাকে জ্যাকপট পুরস্কার আসুস ফোনপ্যাড ট্যাবলেট পিসি দেয়া হবে। প্রতিযোগীতাটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড বা আসুসের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া সকলের জন্য উন্মুক্ত। প্রতিযোগীতাটি চলবে ২৩ শে নভেম্বর পর্যন্ত। উল্লেখ্য যে, আসুস বাংলাদেশের ফেসবুক ফ্যান পেজটি হলো :  http://www.facebook.com/ASUS.B
angladesh|

জীবন বাঁচায় মোবাইল, টুইটার, ফেসবুক!

মোবাইল, টুইটার, ফেসবুক জীবন বাঁচায়-কথাটা আন্তর্জাতিক রেডক্রসের৷ গত বছর ডিসেম্বরে ফিলিপাইনসে যে টাইফুন আঘাত হানে তাতে নিহত হয়েছিল প্রায় ১,৮০০ জন মানুষ৷ তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারত, যদি না ‘এসব’ থাকত৷
এসব বলতে স্মার্টফোন আর বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম৷ ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেডক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিস’ বা আইএফআরসি’-র মহাসচিব বেকেলে গেলেটা এক বিবৃতিতে বলেছেন, দুর্গত এলাকার প্রায় ৯৯ ভাগ মানুষের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ থাকায় হাজার হাজার প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে৷ খুদে বার্তা বা অন্য উপায়ে তাঁদের কাছে দুর্যোগের আগাম তথ্য ও কীভাবে নিরাপদে থাকা যাবে সে সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো গিয়েছিল৷
আইএফআরসি সম্প্রতি তাদের প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ডিজাস্টার রিপোর্ট’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত বছর দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা আগের চেয়ে কমেছে৷ তবে দরিদ্রতম দেশগুলোতে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা বেড়েছে৷ এর একটা অন্যতম কারণ, প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ না থাকা, বলছেন প্রতিবেদনটির সম্পাদক প্যাট্রিক ভিঙ্ক৷
অবশ্য প্রযুক্তি নিয়ে এত ভাল কথা লেখার পরও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এখনও প্রযুক্তির চেয়ে উদ্ধারকারীদের সহায়তাই বেশি জরুরি৷
আইএফআরসির প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছর বিশ্বজুড়ে ৫৫২টি প্রাকৃতিক ও শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ১৫,৭০৬ জন নিহত হয়েছেন৷ আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ১৪ কোটি মানুষ৷ আর্থিক ক্ষতির মূল্য প্রায় ১৫৭.৬ বিলিয়ন ডলার৷ এর মধ্যে হ্যারিকেন স্যান্ডির কারণে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেরই ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০৩.৬ বিলিয়ন ডলার৷

বিশ্বসেরা খেতাব পেল গুগল

কর্মক্ষেত্র হিসেবে বিশ্বের সেরা বহুজাতিক কোম্পানি হিসেবে খেতাব পেল গুগল। জরিপের ভিত্তিতে এই খেতাব দিয়েছে মানবসম্পদ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক ইনস্টিটিউট (জিপিডব্লিউআই)। বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি বড় প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিবেশ নিয়ে জরিপ চালিয়ে এ তালিকা প্রকাশ করেছ প্রতিষ্ঠানটি।
চলতি বছর বিশ্বের ৪৫টি  দেশের ৬ হাজারেরও বেশি কোম্পানি সেরা হওয়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছিল। তার মধ্য থেকে বাছাই করে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালিকায় শীর্ষ পাঁচের প্রতিটি কোম্পানিই কাজ করছে প্রযুক্তি নিয়ে। তবে সেরার তালিকায় জায়গা পায়নি শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল কিংবা সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক।
তালিকায় তৃতীয় সেরা হয়েছে নেটওয়ার্ক স্টোরেজ প্রোভাইডার নেটঅ্যাপ এবং এর পরের অবস্থানে রয়েছে শীর্ষ সফটওয়্যার নির্মাতা মাইক্রোসফট।
শীর্ষ ১০-এ স্থান পাওয়া অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ডব্লিউএল গোর অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, গৃহস্থালি পণ্য নির্মাতা কিম্বার্লি-ক্লার্ক, সেবাদাতা সংস্থা ম্যারিয়ট, ভোগ্যপণ্য প্রস্তুতকারক ডিয়াজিও, ন্যাশনাল ইনস্ট্রুমেন্টস ও সিসকো।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালের ওয়ার্ল্ডস বেস্ট মাল্টিন্যাশনাল ওয়ার্কপ্লেস তালিকায় স্থান পাওয়া ২৫টি কোম্পানি সবার জন্যই আদর্শ। দারুণ কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করে এ প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নততর সমাজ গড়ায় ভূমিকা রাখছে।

বাংলালিংকে বিনামুল্যে উইকিপিডিয়া ব্রাউজিং

বাংলালিংক দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম অপারেটর ২৫ অক্টোবর, ২০১৩ থেকে বাংলাদেশে উইকিপিডিয়া জিরো চালু করেছে। উইকিপিডিয়া জিরো উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি উদ্যোগ যা বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে উইকিপিডিয়াতে বিনামূল্যে ডাটা চার্জ এবং মোবাইল এক্সেস প্রদান করবে।
এই সেবাটি বাংলালিংকের যেকোন প্রিপেইড অথবা পোস্টপেইড গ্রাহকগণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। উইকিপিডিয়া জিরো এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘বিনামূল্যে জ্ঞান প্রদান’ যা বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশে ডাটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। দেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যাপক বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও এই প্রথমবারের মত একটি মোবাইল অপারেটর বাংলাদেশে উইকিপিডিয়াতে বিনামূল্যে মোবাইল ডাটা এক্সেসের সুযোগ করে দিচ্ছে।
বাংলালিংকের যেকোন গ্রাহক উইকিপিডিয়া ব্রাউজিং, উইকিমিডিয়া প্রকল্পের জন্য সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সাম্প্রদায়িক সাইটে মাল্টিমিডিয়ার বিভিন্ন বিষয়বস্তু আপলোড, উইকিপিডিয়া প্রকল্পের জন্য ছবি দান এবং আরও অনেক কিছু করতে পারবেন উইকিপিডিয়া ডোমেইন ও অ্যাপ্লিকেশনস ব্যবহারে। যেমন-m.wikipedia.org, zero.wikipedia.org, upload.wikimedia.org, bits.wikimedia.org, commons.wikimedia.org, meta.m.wikimedia.org, meta.wikimedia.org)
এই সব কাজ করার জন্য বাংলালিংক গ্রাহকদের শুধুমাত্র হ্যান্ডসেট এর ডিফল্ট ব্রাউজার ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রক্সি রেন্ডারিং ব্রাউজার যেমন: অপেরা মিনি অথবা ইউসি ব্রাউজার (ব্ল্যাকবেরী ব্রাউজার) ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকের ডাটা প্যাকেজ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড ডাটা চার্জ হবে। আরও তথ্যের জন্য, বাংলালিংক গ্রাহকগণ বিনামূল্যে ভিজিট করতে পারবেন এবং এফএকিউ সেকশন পর্যালোচনা করতে পারবেন ।
উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক সংস্থা যা সারাবিশ্বের বহুল জনপ্রিয় ও ব্যবহৃত উইকিপিড়িয়া (উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার) পরিচালনা করছে। comscore media metrix এর মতে, উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন দ্বারা পরিচালিত উইকিপিডিয়া এবং অন্যান্য প্রকল্প প্রতি মাসে ৫০০ মিলিয়ন অনন্য পাঠক আকৃষ্ট করছে যা একে পৃথিবীব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় পঞ্চম ওয়েব সম্পত্তির স্বীকৃতি এনে দিয়েছে (comscore, আগস্ট ২০১৩). সারা বিশ্বের প্রায় ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় দ্বারা ২৯ মিলিয়ন এর বেশি নিবন্ধ ২৮৭ টি ভাষায় অনুদিত এবং সংরক্ষিত আছে এই তথ্যভান্ডারে। সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক, উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন প্রাথমিকভাবে অনুদান এবং অনুদান তহবিল দ্বারা যে কোনো নিরিক্ষীত হিসাবপত্রের, ৫০১ (সি) (৩) একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান।
বাংলালিংকের মার্কেটিং ডিরেক্টর জনাব সোলায়মান আলম এ প্রসঙ্গে বলেন,“তথ্য প্রযুক্তি এবং সর্বসাধারণের মাঝে বিদ্যমান শূণ্যতা পূরণে বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংক এই উদ্ভাবনী সেবা পৌছে দিতে পেরে গর্বিত। উইকিপিডিয়া জিরো জনসাধারণের কাছে খুব সহজে এবং বিনামূল্যে তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে একটি বৈপ্লবিক সূচনা।”
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর হলো বাংলালিংক; যাদের প্রায় দুই কোটি ৮০ লাখের মত গ্রাহক রয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলালিংক হচ্ছে নেদারল্যান্ড্স ভিত্তিক ভিম্পেলকম লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান।

শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৩


অনেকের ধারণা, ২০৩২ সালের ২৬ আগস্ট পৃথিবী বলে কিছু থাকবে না, হারিয়ে যাবে সৌরজগৎ থেকে। এ শঙ্কাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিলেন ইউক্রেনের জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা।

তারা বলছেন,  একটি গ্রহাণু ধেঁয়ে আসছে। যেন তেন গ্রহাণু নয় এটি। বিশালকার গ্রহাণুটির শক্তি দুই হাজার ৫শ পরমাণু বোমার সমান। চওড়ায় তেরশ ফু
ট। আঘাত হানলে, পৃথিবীর ১০ লাখ বর্গমাইল এলাকা যাবে হারিয়ে।

২০১৩ টিভি১৩৫ নামের ওই গ্রহাণুটি দেখতে পেয়েছে ক্রিমিন অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল অবজারভেটরি। এরইমধ্যে এটিকে দেখতে পাওয়া গ্রহাণুগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বিপজ্জনক হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা খুবই কম। ৬৩ হাজার বারের মধ্যে মাত্র একবার এটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে, পৃথিবীর স্বাভাবিক গতিতে চলার সম্ভাবনা ৯৯.৯৯ শতাংশ। যদি আঘাত হানে তাহলে পৃথিবীর ১০ লাখ বর্গমাইলে ধ্বংসের সঙ্গে জলবায়ুতেও আসবে মারাত্মক পরিবর্তন।

রুশ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, যদি গ্রহাণু পৃথিবী আঘাত হান করে তাহলে এটি পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে যাবে। পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এর দূরত্ব থাকবে ১০ লাখ মাইল। এ কারণে নাসা গ্রহাণুটিকে ‘সম্ভাব্য অনিষ্টকর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বিজ্ঞানীর বিপদের  মাত্রা হিসাব করে, এ গ্রহাণুকে দিয়েছে তোরিনো স্কেলের ১০ মধ্যে ১। এর আগে মাত্র একটি গ্রহাণুকে ১ দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। বাকি যতগুলো গ্রহাণু দেখা দিয়েছিল বা পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিল সেগুলোর রেটিং ছিল শূন্য (০)। পৃথিবীতে আঘাত হানা বা পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে যাওয়া গ্রহাণু বা ধুমকেতুর ভয়াবহতা পরিমাপের স্কেল হচ্ছে তোরিনো।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০২৪ সালের দিকে গ্রহাণুটি পৃথিবীর নিকটবর্তী হবে। সেসময় এর গতিবিধি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দিতে পারবেন তারা।

২০৪৮ সালে পৃথিবীতে ২০০৭ ভিকে ১৮৪ নামের গ্রহাণুর আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৭ সালে আবিষ্কৃত গ্রহাণুটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা ২৭০০ বারের মধ্যে এক বার। ৪২০ ফুট প্রশস্থের গ্রহাণুটির তোরিনো রেটিং ছিল ১।

রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩

বিজয়া দশমী আজ

আজ বিজয়া দশমী। দেবী দুর্গার বিসর্জন। এই বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পক্ষকালব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তরা যাবতীয় আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতা দিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেবেন নদীর জলে।
এর আগে গতকাল মহানবমীর দিনে রাজধানী ঢাকার ২০১টিসহ সারা দেশের ২৮ হাজার পূজামণ্ডপে মানুষের ঢল নেমেছিল। মহা আরতির মধ্য দিয়ে নবমী শুরু হয়। এরপর হাজার হাজার ভক্ত, পূজারি ও দর্শনার্থী মণ্ডপগুলোতে ঘুরে ঘুরে প্রতিমাদর্শন করেন।
রাজধানীর অধিকাংশ প্রতিমা নিয়ে ঢাকেশ্বরী থেকে মিছিল বের করা হবে। মিছিল শেষে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বুড়িগঙ্গায়।

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩

থ্রিজি সেবা চালু করলো এয়ারটেল

থ্রিজি সেবা চালু করলো এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড। বুধবার ভিডিও কল করে এয়ারটেলের কর্পোরেট অফিসে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন থ্রিজি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।   

বৃহস্পতিবারের মধ্যে বনানী ও গুলশান-২ এলাকা থ্রিজি সেবার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস টোবিট। এলাকার বাসিন্দারা ইন্টারনেট চালু করলে থ্রিজি সেবা পাবেন। 

চলতি অক্টোবর মাসে ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকা, নভেম্বরের মধ্যে সিলেটের কিছু এলাকা, ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাকি এলাকাগুলো, আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে সব বিভাগীয় শহর এবং ২০১৪ সালের মধ্যে সারাদেশে থ্রিজি সেবা পৌঁছে দেবে এয়ারটেল।    এই সেবা দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরো বেগবান করবে এবং ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাহারা খাতুন।
তিনি বলেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে। 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুস সাত্তার, টেলিযোগাযোগ সচিব আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস, এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস টোবিট উপস্থিত ছিলেন। 

এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস টোবিট বলেন, থ্রিজি সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য অবারিত এক দুয়ার খুলে যাবে। ভিডিও কলিং, দ্রুত ডাটা ডাউনলোডিংসহ তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী বলেন, থ্রিজি পাওয়ার এয়ারটেলের অতিরিক্ত দায়িত্ব তৈরি করেছে। গ্রাহকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমরা সব সময়ই সচেষ্ট। গত ৮ সেপ্টেম্বর এয়ারটেল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত নিলামে ৫ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) লাভ করে। এয়ারটেল ছাড়াও গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক থ্রিজি সেবা চালুর লাইসেন্স পেয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণফোন ও রবি থ্রিজি সেবা চালু করেছে। রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক আগেই পরীক্ষামূলকভাবে থ্রিজি সেবা চালু করেছে।

২০১০ সালে টুজি সেবায় দেশব্যাপী এয়ারটেলের কভারেজ এরিয়া ছিল ২৫ শতাংশ। আর বর্তমানে এই কভারেজ এরিয়া ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। এই সময়কালে ১২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে এয়ারটেল। থ্রিজি সেবায় যতোটা প্রয়োজন ততোটাই বিনিয়োগ করা হবে বলেও এয়ারটেল সূত্রে জানা গেছে।   

মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৩


বিশ্বে এখন অ্যাপলই সেরা ব্র্যান্ড

কোকা-কোলাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ড এখন আইফোন ও আইপ্যাডের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। করপোরেট ও ব্র্যান্ড পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্টারব্র্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডের তালিকা প্রকাশ করেছে। কোকা-কোলা ইন্টারব্র্যান্ডের তালিকায় গত ১৩ বছর ধরে শীর্ষস্থানে ছিল।
ইন্টারব্র্যান্ডের তালিকায় ২০১২ সালে অ্যাপল ব্র্যান্ড হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। ২০১১ সালে অ্যাপল ছিল অষ্টম স্থানে। গত দুই বছরের মধ্যে ব্র্যান্ড হিসেবে অ্যাপল শীর্ষস্থানে চলে এসেছে।
ইন্টারব্র্যান্ডের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে অ্যাপলের মূল্যমান দাঁড়িয়েছে নয়শ ৮৩ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১২ সালের তুলনায় ২৮ শতাংশ উন্নতি করেছে অ্যাপল।
ইন্টারব্র্যান্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,  অনেক সময় একটি প্রতিষ্ঠান আমাদের জীবনে নানা পরিবর্তন ঘটিয়ে দেয়। প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি নৈতিকতাও মানুষকে প্রভাবিত করে। এ কারণেই কোকা-কোলা ১৩ বছর ধরে শীর্ষস্থানে থাকলেও এবারে সেরা গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে অ্যাপল। আইফোন ৫এস ও ৫সি বাজারে আনার মধ্য অসংখ্য ভক্তের মন জুগিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইন্টারব্র্যান্ডের তালিকায় ব্র্যান্ড হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গুগল। কোকা-কোলা নেমে গেছে তিনে। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানটি আইবিএম ও মাইক্রোসফটের

ফেসবুকের নতুন পরিবর্তনে শঙ্কা!

সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক সম্প্রতি সর্বশেষ হালনাগাদ (স্ট্যাটাস) পরিবর্তন করার সুযোগ দিয়েছে। এর ফলে বর্তমানে ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা হালনাগাদ দেওয়ার পর আবার চাইলে পরিবর্তন করতে পারবেন। এর আগে একবার স্ট্যাটাস দিয়ে ফেললে সেটি পরিবর্তন করার সুযোগ ছিল না।
নতুন এ পরিবর্তনে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। ধারণা করা হচ্ছে, এ সুবিধার ফলে কেউ যদি একটি স্ট্যাটাস দেখে লাইক দিয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে যদি ওই ব্যবহারকারী নিজের স্ট্যাটাস সম্পাদনা করে অন্য কিছু লিখে ফেলেন, তা হলে লাইক দেওয়া ব্যক্তি বিব্রত হতে পারেন।
এ বিষয়ে ই-সোশ্যাল মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া কনসালট্যান্সি পরিচালক কিরান হেনন বলেন, ফেসবুকের সর্বশেষ এ পরিবর্তনে সাধারণ ব্যবহারকারীরা হয়তো খুব বেশি সমস্যায় পড়বেন না। তবে ব্যবসায়ী গ্রাহকেরা সমস্যায় পড়তে পারেন। বিষয়টি ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দেখা যাবে একটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের ফেসবুক হালনাগাদে একটি অফার ঘোষণা করল, যা দেখে অনেক গ্রাহকই সেবাটি নিলেন কিংবা লাইক দিলেন। পরবর্তী সময়ে যদি ওই প্রতিষ্ঠান নিজেদের অফারের বিষয়গুলো সম্পাদনার মাধ্যমে পরিবর্তন করে ফেলে, সে ক্ষেত্রে গ্রাহকের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
তবে ফেসবুকের নতুন এ পরিবর্তনে খুশি হয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী। কম্পিউটারের পাশাপাশি হাতের স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটে ফেসবুকের ব্যবহারকারী বাড়ছে। এসব যন্ত্র থেকে হালনাগাদ দেওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রেই ভুল হয়ে থাকে। এ সুবিধার ফলে সেটি পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। সব মিলিয়ে নিজের প্রোফাইল কিংবা হালনাগাদগুলো ভুল না হয়ে সঠিক এবং সুন্দর হবে বললেন এ পরিবর্তনের পক্ষের ব্যবহারকারীরা। এ নিয়ে চিন্তিত না হয়ে এর সুফল ব্যবহারের দিকেই নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এ পরিবর্তনের পক্ষে থাকা অনেক ব্যবহারকারী।